এক বিত্তশালী মানুষের দরবারে হিমুর ডাক পড়ে। লোকটি ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাকে নিয়মিত রক্ত পরিবর্তন করে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। ভদ্রলোক প্রায়ই তার মৃত স্ত্রীকে স্বপ্নে দেখেন যেখানে স্ত্রী তাকে বিভিন্ন কাজের পরামর্শ দেন। এমনকি তাঁকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠার কৌশলও বলে দেন। তার স্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী, একজন নিষ্পাপ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রক্ত শরীরে প্রবেশ করলে লোকটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন। হিমুর উপর দায়িত্ব পড়ে নিষ্পাপ মানুষ খুঁজে বের করা।

নিষ্পাপ মানুষের তালিকা হিমুর বাড়তে থাকে। এখানে মজার ব্যাপার এই যে, কোনো মানুষ যদি জানে তার নামটি তালিকায় আছে, তাহলে সে পুলকিত হয়। কিন্তু, কেন নিষ্পাপ মানুষ প্রয়োজন সেটা কেউ জানতে পারে না। অবশেষে হিমু সবচেয়ে নিষ্পাপ মানুষ খুঁজে পায়। কে সে…? কি হয় ঘটনা…? জানতে হলে পড়তে হবে, হুমায়ূন স্যারের “পারাপার”।

পৃথিবীর সকল পুরুষই হিমু, সকল নারীই রূপা। হিমুর সেরা তিনটি বইয়ের মাঝে পারাপারও থাকবে। শেষটা খুব রোমান্টিক। পড়ার সময় আমার চোখে পুরো দৃশ্যটা ভাসছিল। হলুদ পাঞ্জাবি পরা এক উশকো খুশকো যুকব, নীল শাড়ি পরা প্রচন্ড রূপবতী এক যুবতী… তারা পরষ্পরের হাত ধরে আছে, যাচ্ছে জোৎস্ন্যা দেখতে। এমন একটি রাত পাওয়ার জন্য আরো একশ বছর বাঁচতে ইচ্ছা করে।

বই- পারাপার
লেখক-হুমায়ূন আহমেদ
ধরন-উপন্যাস
পৃষ্ঠা-৯৩

বইটি ডাউনলোড করতে এখানে  ক্লিক করুন।