98_mourakhie

বইটির সারসংক্ষেপ

“ময়ূরাক্ষী” প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯০ সালে এবং বাংলা সাহিত্যে রীতিমত সাড়া জাগিয়ে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে ‘হিমু’। ।ময়ূরাক্ষী নদীকে একবারই আমি স্বপ্নে দেখি। নদীটা আমার মনের ভেতর পুরোপুরি গাঁথা হয়ে যায়। অবাক হয়ে লক্ষ করি কোথাও বসে একটু চেষ্টা করলেই নদীটা আমি দেখতে পাই। তারজন্যে আমাকে কোনো কষ্ট করতে হয় না। চোখ বন্ধ করতে হয় না, কিছু না। একবার নদীটা বের করে আনতে পারলে সময় কাটানো কোনো সমস্যা নয়। ঘন্টার পর ঘন্টা আমি নদীর তীরে হাঁটি। নদীর হিম শীতল জলে পা ডুবিয়ে বসি। শরীর জুড়িয়ে যায়। ঘূঘুর ডাকে চোখ ভিজে ওঠে।
হুমায়ূন আহমেদ যে জাদুকরী ক্ষমতা তৈরী করেছিলেন, তার মধ্যে তার সৃষ্টি চরিত্র ‘হিমু’ সাহিত্যানুরাগীদের নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছিলো। “ময়ূরাক্ষী” দিয়েই ম্যাজিশিয়ান হিমুর পথচলা শুরু।

“এ্যাই ছেলে এ্যাই ” বাক্যটি দিয়ে শুরু হওয়া বইটিতে পাঠক হিমুর স্বভাবসুলভ রসিকতা, মুগ্ধময় বিভ্রান্তিকরণ, অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা আর তাৎক্ষণিক বাচিক ক্ষমতা শুরুতেই পেয়ে যাবেন। জাস্টিস সাহেবের স্ত্রী আর মেয়ের সাথে ইচ্ছাকৃত জটিলতার কারণে থানায় যাওয়া এবং অতঃপর ওসির সাথে হিমুর কথোপকথন পাঠক হিসেবে আমাদের হাসাতে বাধ্য করবে। এর পরপর-ই ময়ূরাক্ষী নদীর ইতিহাস পাঠক অজান্তে হিমুর মাধ্যমে কল্পনায় পেয়ে যাবো-“নদীর ধার ঘেঁষে পানি ছিটাতে ছিটাতে ডোরাকাটা সবুজ শাড়ি পরা একটি মেয়ে ছুটে যাচ্ছে। আমি শুধু এক ঝলক তাকে দেখতে পেলাম। স্বপ্নের মধ্যেই তাকে খুব চেনা, খুব আপন মনে হল”। হিমুর ফুফাতো ভাই বাদল আর ফুফাতো বোন রিনকি হিমুকে প্রচন্ড ভালবাসে। ফুপার সাথে হিমুর ছোট ছোট দার্শনিক সংলাপ য়ামাদের ভাবিয়ে তুলবে। ধীরে ধীরে আমরা হিমুর শৈশব থেকে শুরু করে তার বড় হওয়া দেখবো। প্রচন্ড নির্মমতায় মহাপুরুষ বানানোর লক্ষ্যে হিমুকে হিমুর বাবার সাথে ফ্ল্যাশব্যাকে দেখতে পাবো এবং চোখ নোনাময় হয়ে যাবে। পরক্ষণেই অসম্ভব রুপবতী তরুণী, রুপার সাথে সাথে আমাদেরও হিমুকে ভালবাসতে ইচ্ছে করবে; যে রুপা প্রতিদিন নীল শাড়ি পরে বারান্দায় হিমুর জন্য অপেক্ষা করে। বইয়ের শেষে হিমুর অনন্ত পথচলা দেখে আমাদের থমকে যেতেই হবে।
“আমি সারাদিন হাঁটি। আমার পথ শেষ হয় না। গন্তব্যহীন যে যাত্রা তার কোনো শেষ থাকার কথাও নয়…”।

বইটি ডাউনলোড সম্পকে তথ্য


বইয়ের নাম:         ময়ূরাক্ষী
লেখকের নাম:       ময়ূরাক্ষী- হুমায়ন আহমেদ

শতাব্দীর বাঙ্গালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। বলা হয়, বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। ২০১১ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অতুলনীয় জনপ্রিয়তা সত্বেও তিনি অন্তরাল জীবন-যাপন করেন এবং লেখলেখি ও চিত্রনির্মাণের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়।
হুমায়ন আহমেদ সম্পকে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

সাইজ:                     ৭.৮৮ মেগা
পৃষ্ঠা সংখ্যা:             ৭১
আপলোড সার্ভার:   ড্রপবক্স

download_button1

ডাউনলোড এর সুবিধার জন্য  পিডিএফ ফাইলটি জিপ করা।এটা আনজিপ করতে “7zip” সফটটি ব্যাবহার করুন।আপনার পিসি বিট এর ধরন অনুযায়ী সফটটি “এখান” থেকে ডাউনলোড করুন।ডাউনলোড করতে কিংবা ফাইলটি ওপেন করতে কোন সমস্যা হলে “আমরা যারা বই পড়ি” গ্রুপে জানান।
বি:দ্র:ইবুকটির কপিরাইট ফ্রী।আপনি চাইলে এই বইটি যে কোথায় শেয়ার এবং প্রকাশ  করতে পারবেন।কিন্তু একটা বিশেষ অনুরোধ দয়া করে আমাদের গ্রুপের নাম এবং আমাদের ব্লগটির লিংক উল্লেখ করে দিয়েন।আর বইটি ভাল লাগলে অবশ্যই একটি মন্তব্য করার অনুরোধ রইল।মন্তব্য দিলে কি হবে জানেন??আমার ভাল লাগবে এবং অনেক উৎসাহ পাব পরবতীতে আরও বেশি বই স্ক্যান করে ইবুক তৈরীর  জন্য উৎসাহ পাব।

নতুন বইয়ের সম্পকে  জানতে

গ্রুপে জয়েন করুন

পেইজটি লাইক করুন